মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০১৯, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞাপন :
বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন : ০১৯৭৭ ৫ ৯৯৯ ৮১, ০১৯৭৭ ৫ ৯৯৯ ৮২ ।  বিজ্ঞাপন দিন ই-মেইলে, পেমেন্ট করুন বিকাশে। বিকাশ (পারসোনাল) : ০১৯১২ ৩০ ৫০ ১৯, ই-মেইল : likhon199947@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম :
ঝগড়া-বিবাদ মীমাংসাকারীর পুরস্কারের ঘোষণা জাহানারা-ফারজানা আইসিসির হয়ে খেলতে যাচ্ছেন ইংল্যান্ড হুমায়ূন আহমেদ চলে যাওয়ার ৭ বছর লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি : হিংসা-বিদ্বেষ দূর করতে সংস্কৃতির বিকাশ জরুরি প্রধানমন্ত্রী : প্রতিটি জলাশয়কে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনব ১২২ জনকে নিয়োগ দেবে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন মাদ্রাসায় পরীক্ষার্থী কমেছে, বেড়েছে পাসের হার জাপানের অ্যানিমেশন স্টুডিওতে আগুন, নিহত ৩৩ খুলনা টাইটানসের হয়ে খেলবেন ওয়াটসন জীবন বদলে দিতে বিশ্বনবির ৫ উপদেশ Verb শেখার সহজ নিয়ম যে ৩ ব্যক্তি আল্লাহর অত্যন্ত প্রিয় আসছে সিজিপিএ ৪, থাকছে না জিপিএ ৫ বাজেটে স্বর্ণ আমদানি শুল্কহার কমানোর প্রস্তাব
প্রধানমন্ত্রী : প্রতিটি জলাশয়কে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনব

প্রধানমন্ত্রী : প্রতিটি জলাশয়কে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনব

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকারের গৃহীত নদী ও ভরাট হয়ে যাওয়া জলাশয় খনন কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে দেশে সার্বিক মাছ উৎপাদনের পরিমাণ বাড়বে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০১৯-এর উদ্বোধন করতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

ভরাট হয়ে যাওয়া জলাশয় উন্মুক্তকরণ ও নদী খনন করতে সরকার এরই মধ্যে পদক্ষেপ নিয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘হাওর অঞ্চলগুলোতে যাতে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পায় সে ব্যবস্থা আমরা নিচ্ছি। প্রতিটি জলাশয়কে আমরা আবার পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনব। এরই মধ্যে নদীগুলোর ড্রেজিং কাজ আমরা শুরু করেছি। নদী ড্রেজিং করে আমাদের পানির প্রবাহ যাতে বৃদ্ধি পায় এবং পানির ধারণক্ষমতা যাতে বৃদ্ধি পায়, সেদিকেও আমরা কাজ শুরু করেছি।’

‘নদীমাতৃক বাংলাদেশ। নদীগুলোকে ড্রেজিং করা এবং আমাদের দেশটা যেন কোনো রকম জলবায়ু পরিবর্তন বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকে লক্ষ রাখা, আর সেই সঙ্গে যত বেশি পানির প্রবাহ বাড়বে আমাদের মাছের উৎপাদনও বৃদ্ধি পাবে, মানুষের চাহিদা পূরণ হবে,’ বলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

বিদেশে রপ্তানির ক্ষেত্রে মৎস্যজাত পণ্যের মানের দিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যে মাছ বিদেশে রপ্তানি করি, এ রপ্তানির ক্ষেত্রে এর মানটা বজায় রাখা একান্তভাবে দরকার। আমাদের তেমন কোনো ভালো ল্যাবরেটরি ছিল না, ইতিমধ্যেই আমরা কয়েকটি ল্যাবরেটরি করেছি। ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনায় তিনটি ল্যাবরেটরি করা হয়েছে। আমরা যে মাছটা রপ্তানি করব তা মানসম্মত যাতে হয়, অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারে  যেটা প্রবেশ করে। (মাছ রপ্তানির ক্ষেত্রে) আমাদের দেশে অতীতে কিছু দুর্ঘটনা ঘটে গিয়েছিল, যখন বিএনপি ক্ষমতায় ছিল।’

দেশের মোট জনসংখ্যার ১১ ভাগ মানুষ মৎস্য খাত থেকে জীবিকা নির্বাহ করে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী এ খাতের উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের মোট চাহিদা ৪৫ লাখ মেট্রিক টনের বিপরীতে বর্তমানে ৪২ লাখ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদিত হচ্ছে। বাকি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যেও সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি। এ ছাড়া গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ বাড়ানোর জন্য প্রায় এক হাজার ৮৬৮ কোটি টাকার একটি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন আছে জানিয়ে শেখ হাসিনা গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণের এগিয়ে আসার জন্য বেসরকারি উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

বক্তব্যের আগে দেশের মৎস্য উৎপাদনে বিশেষ অবদান রাখায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীসহ বেশ কয়েকজন উদ্যোক্তার হাতে জাতীয় মৎস্য পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠান উদ্বোধন শেষে সরকারি বাসভবন- গণভবনের লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যরাও এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন।

১৭ থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত দেশব্যাপী মৎস্য সপ্তাহের কার্যক্রম চলবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2019 Education News.
Design & Developed BY M/S PRINCE ENTERPRISE