নাটকীয় জয়ে শেষ আটে পোর্তো

এর চেয়ে আর কোনো নাটকীয়তা হতে পারে না। এএস রোমার মাঠে গিয়ে ২-১ গোলে হেরে এসেছিল ইকার ক্যাসিয়াসের দল। ইতালিয়ান ক্লাবটির শেষ আটে উঠে যাওয়া এক প্রকার নিশ্চিতই ছিল। কিন্তু খেলাধুলায় নাটকীয়তার যে চূড়ান্ত কোনো সীমা থাকে, সেটা দেখালো পোর্তোর মাঠে রোমার ম্যাচটি।

খেলার নির্ধারিত সময় শেষ হলো ২-১ গোলে পোর্তোর এগিয়ে থাকার কারণে। গোল ব্যবধান, অ্যাওয়ে গোল- সব ক্ষেত্রেই সমান দুই দল। শেষ আটে উঠবে কে? সেটা নির্ধারণে ম্যাচ গড়িয়ে গেলো অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে। সেই ৩০ মিনিটের প্রথম ২৭ মিনিটে কোনো গোলই হলো না।

এরপর ১১৭তম মিনিটের মাথায় আচমকা পেনাল্টি। এ নিয়ে বিতর্কও কম হলো না। শেষ পর্যন্ত সহযোগিতা নিগে হলো ভিডিও আম্পায়ার ভিএআরের। সেই ভিএআর দেখে পেনাল্টি পেয়ে গেলো পোর্তো এবং শেষ পর্যন্ত পেনাল্টি গোলে শেষ আট নিশ্চিত করলো পর্তুগিজ ক্লাবটি।

১১৭তম মিনিটে ম্যাক্সি পেরেরার নিচু শটটি ঠেকিয়ে দিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন ফার্নান্দো। এরপরই হ্যান্ডবলের দাবি ওঠে পোর্তোর পক্ষ থেকে। পিচ মনিটর দেখতে যেতে হয় রেফারিকে। সেটা দেখেই তিনি রায় দিলেন, এটি পেনাল্টিই ছিল। স্পট কিক থেকে গোল করে পোর্তোকে শেষ আটে পৌঁছে দিলেন আলেক্স তেয়াস।

এর আগে ম্যাচের ২৬ মিনিটে গোলের সূচনা করেন পোর্তো তিকুইনহো সোয়ার্স। মৌসা মারেগার পাস থেকে বল পেয়ে খুব কাছ থেকে ডান পায়ের শটে রোমার জালে বল জড়ান তিনি।

৩৭ মিনিটে পেনাল্টি পায় ইতালিয়ান ক্লাব এএস রোমা। দিয়েগো পেরোত্তিকে বক্সের মধ্যে ফাউল করেন এডার মিলিটাও। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজালে স্পট কিক নেন ড্যানিয়েল ডি রোসি। ১-১ সমতায় ফেরে এএস রোমা।

ম্যাচের ৫২তম মিনিটে মৌসা মারেগার গোলে আবারও এগিয়ে যায় পোর্তো। হেসুস ম্যানুয়েল করোনার ক্রস থেকে ভেসে আসা বলটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডান পায়ের শট নেন মারেগা। সেটিই জড়িয়ে যায় এএস রোমার জালে। এই পরিস্থিতিতে ম্যাচের নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে, ১১৭তম মিনিটের গোলে পোর্তোকে শেষ আটে পৌঁছে দেন আলেক্স তেয়াস।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here