বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ০২:২৮ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞাপন :
বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন : ০১৯৭৭ ৫ ৯৯৯ ৮১, ০১৯৭৭ ৫ ৯৯৯ ৮২ ।  বিজ্ঞাপন দিন ই-মেইলে, পেমেন্ট করুন বিকাশে। বিকাশ (পারসোনাল) : ০১৯১২ ৩০ ৫০ ১৯, ই-মেইল : likhon199947@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম :
জেনে নিন ডায়াবেটিসের উপসর্গ, প্রতিরোধে করণীয় অতিমাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক যেভাবে ক্ষতি করে শরীরের নো গিফট প্লিজ! সকালে নুহাশপল্লীতে ছিলাম : শাওন বাকৃবিতে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হাজিগঞ্জ স.প্রা.বিদ্যালয়ে পি.ই.সি বিদায় অনুষ্ঠান Confusing word (ইংরেজির কিছু কনফিউজিং শব্দ) সহজে দ্রুত রক্তদাতার সন্ধান দেবে ‘আলো ব্লাড ডোনার’ বৃহস্পতিবার কক্সবাজারে শুরু বিচ কাবাডি নারায়ণগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা এসএমএস নিয়ে মোবাইল কোম্পানির বিরুদ্ধে রিট ভুল করে ম্যাসেঞ্জারে পাঠানো ম্যাসেজ ডিলিট করবেন কিভাবে? যে ভালোতে সবার চেয়ে এগিয়ে ইসরায়েল সব রেকর্ড ভেঙেও হুমকির মুখে আমির খানের ‘থাগস অব হিন্দুস্তান’ অফিসেই করতে পারেন যে ব্যায়াম
দেশেই ঝিনুক থেকে উৎপাদিত হচ্ছে মুক্তা

দেশেই ঝিনুক থেকে উৎপাদিত হচ্ছে মুক্তা

ঝিনুক শিল্প আমাদের দেশে একটি সম্ভাবনাময় শিল্পের নাম। মাছ চাষের পাশাপাশি ঝিনুক চাষ করে আমরা পেতে পারি মহামূল্যবান বস্তু ‘মুক্তা’। এতে জলাশয়ের সর্বোচ্চ ব্যবহার সম্ভব। সৌখিনতা ও আভিজাত্যের প্রতীক হলেও মুক্তা কিছুু জটিল রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়

 

মুক্তা কী: মুক্তা অতি প্রাচীন পৃথিবীখ্যাত মূল্যবান রত্ন। যা জীবন্ত প্রাণি ঝিনুক থেকে পাওয়া যায়। মুক্তা জীবন্ত ঝিনুকের দেহের ভেতরে জৈবিক প্রক্রিয়ায় তৈরি এক ধরনের বস্তু। কোন বাহিরের বস্তু ঝিনুকের দেহের ভেতরে ঢুকে নরম অংশে আটকে গেলে আঘাতের সৃষ্টি হয়। ঝিনুক এই আঘাতের অনুভূতি থেকে উপশম পেতে বাহির থেকে প্রবেশকৃত বস্তুটির চারদিকে একধরনের লালা নিঃসরণ করতে থাকে। ক্রমাগত নিঃসৃত এই লালা বস্তুটির চারদিকে ক্রমান্বয়ে জমাট বেঁধে মুক্তায় পরিণত হয়।

সফলতা: চূর্ণ মুক্তা আয়ুবের্দিক ঔষধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া মুক্তা উৎপাদনকারী ঝিনুকের খোলস অলংকার ও সৌখিন দ্রব্যাদির পাশাপাশি হাঁস-মুরগি, মাছ ও চিংড়ির খাদ্যের প্রয়োজনীয় উপাদান ক্যালসিয়ামের একটি প্রধান উৎস। উন্নত বিশ্বে ঝিনুকের মাংস মানুষের খাদ্য হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশে প্রথমবারের মত ইমেজ (প্রতিচ্ছবি) মুক্তা চাষে সফলতা পেয়েছেন। মিঠাপানির ঝিনুক থেকে পাখি, মাছ, নৌকাসহ বিভিন্ন বস্তুর নকশার দৃষ্টিনন্দন ইমেজ মুক্তা উৎপাদনে তারা এই সফলতা পান। উদ্যোক্তা ও গ্রামীণ পর্যায়ে এ প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হলে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি রপ্তানি খাতেও ব্যাপক সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।

ইতিহাস: আমাদের দেশে আগে প্রাকৃতিকভাবে প্রচুর পরিমাণ মুক্তা উৎপাদিত হতো। পৃথিবীর ইতিহাসে ১৮৯০ সালে জাপানি বিজ্ঞানি কোকিচি মিকিমোতো সর্বপ্রথম প্রণোদিত উপায়ে মুক্তা চাষে সফল হন। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৯৯৯ সালে স্বাদু পানিতে মুক্তা চাষের পরীক্ষামূলক গবেষণা শুরু করে।

Pearl

মুক্তা চাষ: প্রণোদিত উপায়ে ঝিনুক থেকে মুক্তা চাষ প্রযুক্তি অনেকটা সূঁচি শিল্পের মত, যা গ্রামীণ নারীরা সহজে আয়ত্ত করতে পারে। দেখা গেছে গ্রামীণ নারীরা মাত্র ৩-৪ দিনের প্রশিক্ষণে ঝিনুক অপারেশনে দক্ষ হয়ে ওঠে। তাই মুক্তা চাষে নারীদের নিয়োজিত করা গেলে জলাশয়ের সর্বোচ্চ ব্যবহারের পাশাপাশি গ্রামীণ নারীদের দারিদ্র বিমোচনের মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন সম্ভব। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ২০১২ সালে মুক্তা চাষ প্রযুক্তি উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ নামক একটি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু করে। এই প্রকল্পের আওতায় স্বাদু পানির ঝিনুকের উপর মুক্তা বিষয়ক বিভিন্ন ধরনের গবেষণা কাজ পরিচালিত হচ্ছে। তিন ধরনের পদ্ধতি অনুসরণ করে আমরা মুক্তা পেতে পারি।

ম্যান্টল টিস্যু অপারেশন পদ্ধতি: ঝিনুক থেকে মুক্তা তৈরির জন্য ঝিনুকের দেহের ভেতরে ম্যান্টল টিস্যু প্রবেশ করানো হয়। বর্তমানে বিজ্ঞানসম্মতভাবে ঝিনুক থেকে মুক্তা তৈরিতে ম্যান্টল টিস্যু অপারেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি। সুন্দর ও আকর্ষণীয় মুক্তা তৈরির জন্য ঝিনুকে স্বল্প সময়ের মধ্যে নির্ধারিত আকারের ম্যান্টল টিস্যু প্রবেশ করাতে হবে। একটি ঝিনুকে মুক্তা তৈরি করতে অপর একটি ঝিনুককে কেটে ফেলতে হয়। প্রথমে একটি ঝিনুককে কেটে ম্যান্টল টিস্যুর বহিঃত্বক লম্বা করে কেটে বিচ্ছিন্ন করতে হয়। বিচ্ছিন্ন করা টিস্যুটিকে লম্বা করে একটি গ্লাস বোর্ডে রাখতে হয়। লম্বা টিস্যুকে পরে (২-৩*২-৩) মি.মি আকারে টুুকরো করে কাটতে হয়। এরপর টুকরো করা ম্যান্টল টিস্যু অন্য একটি জীবিত ঝিনুকে স্থাপন করতে হয়। এভাবে অপারেশন প্রক্রিয়া সমাপ্ত হয়।

নিউক্লিয়াস অপারেশন পদ্ধতি: নিউক্লিয়াস অপারেশন পদ্ধতি এবং ম্যান্টল টিস্যু অপারেশন পদ্ধতি মোটামুটি একই রকম। এই পদ্ধতিতে ঝিনুকের ভেতর একসাথে ম্যান্টল টিস্যু ও নিউক্লিয়াস প্রবেশ করানো হয়। নিউক্লিয়াসের উপর মুক্তার প্রলেপ পড়ে এবং নিউক্লিয়াসকে ঘিরে মুক্তা তৈরি হয়।

ইমেজ মুক্তা অপারেশন পদ্ধতি: মুক্তা ইমেজ আকারেও উৎপাদন করা সম্ভব। কোন মানুষ, প্রাণি বা বস্তুর ইমেজ আকারে মুক্তা উৎপাদন করা সম্ভব। মোম, ঝিনুকের খোলস, প্লাস্টিক, স্টিল ইত্যাদি পদার্থ দিয়ে ইমেজ তৈরি করা যেতে পারে। এজন্য প্রথমে ইমেজগুলোকে পানিতে ভেজাতে হবে। ঝিনুকের খোলস ৮-১০ মি.মি খুলতে হবে এবং কাঁদা, বালি ইত্যাদি পরিষ্কার করতে হবে। একটি পাতলা পাত দিয়ে খোলসের কিছু অংশ থেকে ম্যান্টল আলাদা করতে হবে। সাবধানতার সাথে ইমেজ ঢুকিয়ে ম্যান্টল গর্ত থেকে বাতাস ও পানি বের করে দিতে হবে।

অপারেশনকৃত ঝিনুকের চাষকৌশল: অপারেশনকৃত ঝিনুককে মাছের সাথে পুকুরে একত্রে চাষ করা সম্ভব। এক্ষেত্রে ঝিনুকগুলো নেট ব্যাগে রেখে দড়ির সাহায্যে পুকুরে ১-১.৫ ফুট গভীরতায় ঝুলিয়ে চাষ করা হয় অথবা সরাসরি জলাশয়ের নিচে ছেড়ে দিয়ে চাষ করা হয়। এরপর মাছ চাষের যে ব্যবস্থাপনা ঠিক সেই ব্যবস্থাপনাতেই মুক্তা চাষ করা হয়। মুক্তা চাষে বাড়তি কোন খাবারের প্রয়োজন নেই। পুকুরে কেবল নিয়মিত চুন ও সার প্রয়োগ করতে হবে। ১৫ দিন অন্তর অন্তর অপারেশনকৃত ঝিনুকগুলো পরিষ্কার করতে হবে।

Pearl

পুকুরে অপারেশনকৃত ঝিনুকের চাষ পদ্ধতি: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মুক্তা শিল্পের ভবিষ্যত সম্ভাবনা উজ্বল। কারণ বাংলাদেশে রয়েছে মুক্তা চাষ উপযোগী আবহাওয়া। মুক্তা উৎপাদনের জন্য প্রয়োজন উষ্ণ আবহাওয়া। আমাদের দেশে প্রায় দশ মাসই উষ্ণ আবহাওয়া থাকে যা মুক্তা উৎপাদনে অনুকূল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিশেষ করে জাপান, চীন, ভারত প্রণোদিত উপায়ে মুক্তা চাষ করে প্রচুর বৈদিশিক মুদ্রা অর্জন করছে। মুক্তা চাষে পানির অনুকূল তাপমাত্রা হবে ২২-৩০ ডিগ্রি সেন্ট্রিগ্রেড। পুকুরের পানিতে সামান্য প্রবাহ সৃষ্টি করা গেলে ঝিনুকের বৃদ্ধি সাধনে এবং মুক্তা উৎপাদনে সহায়ক হয়। ঝিনুকের খাদ্য গ্রহণ মূলত পরোক্ষ ফুলকার মাধ্যমে। এরা পানিতে বিদ্যমান এলজি, ক্ষুদ্রাকার জুপ্লাংকটন, অণুজীব অর্থাৎ ফাইটোপ্লাংকটন ইত্যাদি জৈব দ্রব্য ছেঁকে খায়। ডায়াটম, গোল্ড এলজি, গ্রিন এলজি, ইউগ্লেনা ইত্যাদি ঝিনুকের উপযোগী প্রাকৃতিক খাদ্য। ঝিনুক চাষের জন্য পানির উপযুক্ত রং হলো হলুদাভ সবুজ এবং স্বচ্ছতা ৩০ সে.মি। ঝিনুক রাখার জন্য আড়াআড়িভাবে পুকুরে নাইলনের মোটা রশি টানাতে হবে। রশির দুইপ্রান্ত বাঁশের খুঁটির সাথে বাঁধতে হবে। পরিমাণমত ফ্লোট বা ভাসান যুক্ত করে রশিটিকে ভাসমান রাখতে হবে। ঝিনুক নেটের ব্যাগে রেখে দড়ির সাহায্যে নাইলনের সুতা দিয়ে ঝুলিয়ে দিতে হবে। শরৎ, হেমন্ত ও বসন্তে নেট ব্যাগ স্থাপনের গভীরতা হবে ২০ সে.মি এবং গ্রীষ্মকালে হবে ৩০-৩২ সে.মি। প্রতিটি নেট ব্যাগে চারটি করে ঝিনুক রাখতে হবে। অপারেশনকৃত ঝিনুক পর্যবেক্ষণে রাখার পর পুকুরে ছাড়তে হবে। পুকুরে প্লাংকটন জন্মাবার পরপরই রুই, গ্রাসকার্প, মৃগেল ইত্যাদি মাছের পোনা পুকুরে ছাড়তে হবে। অপারেশনকৃত ঝিনুকগুলো ১৫ দিন অন্তর অন্তর পরিষ্কার করতে হবে।

মুক্তা চাষে বিপুল সম্ভাবনা: একদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে যেমন মুক্তার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে, তেমনি অভ্যন্তরীণ বাজারেও মুক্তার চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে চীন, জাপান, ভিয়েতনামসহ কয়েকটি দেশ প্রণোদিত উপায়ে মুক্তা উত্পাদন করে ব্যাপক অর্থনৈতিক সফলতা লাভ করেছে। বাংলাদেশেও মুক্তা চাষের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক হিসেবে ১০ শতাংশের এক পুকুরে মুক্তা চাষে মোট ব্যয় হবে ২৩ হাজার ৬২৪ টাকা। আয় হবে ৬৫ হাজার টাকা। খরচ বাদে মুনাফা ৪১ হাজার ৩৭৬ টাকা। সেইসাথে মাছ চাষ থেকে আয় তো রয়েছেই।

Pearl

জলাশয়: দেশের অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের পরিমাণ প্রায় ৪৩.৩৭ লাখ হেক্টর। এরমধ্যে প্লাবন ভূমিসহ মুক্ত জলাশয় ৪০.৪৭ লাখ হেক্টর। উপকূলীয় চিংড়ি খামারসহ বদ্ধ জলাশয় ২.৯০ লাখ হেক্টর। দেশের ৭১০ কি.মি. তটরেখার কাছাকাছি বেইজ লাইন থেকে সাগরের ২০০ ন্যাটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত আমাদের অভ্যন্তরীণ জলসীমা। এর প্রায় ১,৬৪,০০০ বর্গ কি.মি এলাকা দেশের সামুদ্রিক জলসীমা। যা দেশের মূল ভূ-খণ্ডের আয়তনের চেয়েও বড়। এ জলসীমার মাত্র ৫০ ভাগ এলাকায় প্রণোদিত উপায়ে মুক্তা চাষ করতে পারলে এক বিপুল সম্ভাবনার দ্বার খুলে যাবে।

বিএফআরআই-এর মুক্তা বিজ্ঞানী ড. মোহসেনা বেগম তনু জানান, আমাদের দেশে মুক্তা উৎপাদনকারী ৫ প্রজাতির মিঠাপানির ঝিনুকের মধ্যে ২ প্রজাতির ঝিনুক ইমেজ মুক্তা উৎপাদনে অধিকতর উপযোগী। কৃত্রিম মুক্তা চাষ ব্যয়বহুল নয়। এছাড়া মাছ চাষের সাথে সম্পূরক খাদ্যের প্রয়োজন হয় না। ইমেজ মুক্তা উৎপাদনের ক্ষেত্রে বড় আকৃতির স্বাস্থ্যবান ঝিনুক বাছাই করা হয়। পরে চ্যাপ্টা আকৃতির বস্তুর (মোম, প্লাস্টিক, স্টিল) প্রতিচ্ছবি ঝিনুকে স্থাপন করে ঝিনুক পুকুরে ছেড়ে দেওয়া হয়। ঝিনুক পুকুরে ছাড়ার পর থেকে ৭-৮ মাস পরই ওই নকশার উপর ঝিনুকের আঠালো রস পড়ে হুবহু ওই আকৃতির ইমেজ মুক্তা উৎপাদিত হয়। প্রতি শতাংশে ৮০-১০০টি ঝিনুক মজুদ করে ইমেজ মুক্তার উৎপাদন ও বৃদ্ধি সর্বোচ্চ পাওয়া গেছে। অপারেশনকৃত ঝিনুকের বেঁচে থাকার হার ৮০ শতাংশ পাওয়া গেছে। অপারেশনের পর প্রথম মাসে ঝিনুক থেকে ইমেজ বের হয়ে যেতে পারে। তাই অপারেশনের পর ১ম একমাস ঝিনুক ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। ইমেজ মুক্তা আহরণের আগে পুকুরে পরিমিত পরিমাণে সার প্রয়োগ করতে হবে এবং পানির গুণাগুণ নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে। এতে ইমেজ মুক্তার ঔজ্জ্বল্য ও গুণগতমান ভালো হয়। একটি ঝিনুক থেকে সর্বোচ্চ ১২টি মুক্তা তৈরি সম্ভব। চারটি রঙের (কমলা, গোলাপি, সাদা, ছাই) এবং তিন আকারের (গোল, রাইস, আঁকাবাঁকা) মুক্তা পাওয়া গেছে।

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ বলেন, ‘ইনস্টিটিউট সফলভাবে ইমেজ মুক্তা উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছে। এখন এটি ছড়িয়ে দিতে হবে। দেশে-বিদেশে ইমেজ মুক্তার ব্যাপক কদর রয়েছে। স্বল্প পুঁজিতে গ্রামীণ বেকার নারীরা ইমেজ মুক্তা উৎপাদনে সহজেই সম্পৃক্ত হতে পারবে। তারা অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী হতে পারবে। বিদেশে রফতানি করেও প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

© All rights reserved © 2018 Education News.
Design & Developed BY M/S PRINCE ENTERPRISE