একুশ শতকে আরও ৫৫ বার পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ হবে

১৮ মাস পরপর একটি করে পূর্ণগ্রাস হয় সূর্যের। এটা প্রকৃতির নিয়ম। তখন সূর্যের মুখ পুরোপুরি ঢেকে দেয় চাঁদ। তার ফলে, দৃশ্যমান হয়ে ওঠে সূর্যের বায়ুমণ্ডল বা করোনা, যা এক বিরল দৃশ্য। এক মায়াবি পরিবেশ তৈরি হয় পৃথিবীর সেই অংশে।

একুশ শতক শেষ হতে বাকি আরও ৮২ বছর। নাসা জানিয়েছে, এই শতাব্দীতে ২২৪টির বেশি সূর্যগ্রহণ হওয়া সম্ভব নয়। এর মধ্যে মাত্র ৬৭টি হবে পূর্ণগ্রাস। এর মধ্যে ২০০১ সালের ২১ জুন থেকে ২০১৯-এর ২ জুলাই পর্যন্ত ১২টি হয়ে গেছে। ফলে, বাকি রয়েছে আর ৫৫টি পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ।

এ ছাড়া একুশ শতকে ৭২টি বলয়গ্রাস আর ৭৭টি খণ্ডগ্রাস হবে। আর পূর্ণগ্রাস ও বলয়গ্রাস মিলিয়ে সূর্যের মিশ্র (হাইব্রিড) গ্রহণ হবে ৭টি।

নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টার জানিয়েছে, এই একুশ শতকে এক বছরে সর্বাধিক সূর্যগ্রহণের সংখ্যা হবে ৪টি। তার মধ্যে একটি বছর চলে গেছে ইতোমধ্যেই, সেটা ২০১১। একই ঘটনা ঘটবে ২০২৯, ২০৪৭, ২০৬৫, ২০৭৬ এবং ২০৯৪ সালেও। শেষ সূর্যগ্রহণটি হবে ২১০০ সালের ৪ সেপ্টেম্বর।

যখন সূর্যের মুখ পুরোপুরি ঢাকা পড়ে যায় চাঁদের ছায়ায়, আমরা বলি পূর্ণগ্রাস। বিজ্ঞানের পরিভাষায়, ‘টোটাল সোলার একলিপ্স’। সাধারণত, সূর্যের পূর্ণগ্রাস পৃথিবী থেকে সর্বাধিক যতটা জায়গা জুড়ে দেখা যেতে পারে, চওড়ায় তা হয় ১৬০ কিলোমিটার। ভূপৃষ্ঠে সেই এলাকাটা লম্বায় হয় প্রায় ১০ হাজার কিলোমিটার।

একটি অবাক করা ঘটনা ঘটবে ২০৪৯ এবং ২০৫০ সালে। পর পর দু’টি বছরেই দেখা যাবে সূর্যের মিশ্র (হাইব্রিড) গ্রহণ। পূর্ণগ্রাস ও বলয়গ্রাস। একটি ঘটবে ’৪৯ সালের ২৫ নভেম্বর। অন্যটি হবে ’৫০-এর ২০ মে। এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে একুশ শতকে এমন ঘটনা আর ঘটবে না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here