শনিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, ০১:৫৯ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞাপন :
বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন : ০১৯৭৭ ৫ ৯৯৯ ৮১, ০১৯৭৭ ৫ ৯৯৯ ৮২ ।  বিজ্ঞাপন দিন ই-মেইলে, পেমেন্ট করুন বিকাশে। বিকাশ (পারসোনাল) : ০১৯১২ ৩০ ৫০ ১৯, ই-মেইল : likhon199947@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম :
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ২১ লাখ শিক্ষার্থী এডুকেশন নিউজ চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতা ২০১৮ এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান মাটি খুঁড়ে মিলল বল্লাল সেনের রাজপ্রাসাদ আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় যাচ্ছে ৪ বাংলাদেশি র‌্যাগিং বন্ধে রাবিতে কমিটি সঙ্গীত জগতের নক্ষত্র আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল আর নেই ৩৭তম বিসিএস নন-ক্যাডারের ফল ফেব্রুয়ারিতে কনফিউজিং শব্দ (Confusing Word) রেকর্ড গড়লো হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হলো ৪০ বছরের পুরনো শাহবাগ শিশুপার্ক ‘ওয়ার্ল্ড হিজাব ডে’ পালিত হবে ১ ফেব্রুয়ারি আত্মহত্যা ঠেকাতে বাধ্যতামূলক হচ্ছে কাউন্সেলিং আজ শহীদ আসাদ দিবস ৯৬ টাকায় হতে পারেন বাড়ির মালিক! দীর্ঘসময় বসে কাজ করেন? হাড়ের সমস্যা দূর করবেন যেভাবে
অতিমাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক যেভাবে ক্ষতি করে শরীরের

অতিমাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক যেভাবে ক্ষতি করে শরীরের

দেড় বছর আগে কানে ইনফেকশন হয়েছিল সামিনা ইয়াসমিনের। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া শুরু করেন তিনি। ডাক্তার ৫ দিনের কোর্স দিলেও তিনদিন পর ভালোবোধ করায় ওষুধ খাওয়া ছেড়ে দেন তিনি। এর ফলে দেড় মাস পর আবার কানে ব্যথা শুরু হয়। এরপর তিনি নিজে নিজেই ঐ একই ওষুধ কিনে খেতে থাকেন। দুই-এক মাসের জন্য সুস্থ থাকলেও আবারও ফিরে আসে কানের ব্যথা।

ইয়াসমিন জানান, এরপর ডাক্তারের কাছে গেলে আগের চেয়ে বেশি মাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হয় এবং বলা হয়, আগের ওষুধ শরীরে রোগ-প্রতিরোধে আর কাজ করছে না।

শরীরের কী ক্ষতি হয়?
বাংলাদেশে প্রেসক্রিপশন ছাড়া ফার্মেসিতে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে অনেকেই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খান। আবার অনেকে নির্দিষ্ট কোর্স শেষ করেন না। এতে কী ক্ষতি হয় শরীরের?

হলি ফ্যামিলি কলেজ এবং হাসপাতালের নাক, কান গলা বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ডা. মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, সাধারণত ভাইরাল ইনফেকশন যেমন সর্দি, কাশি, জ্বর এসবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যাবহার করা উচিত নয়। তবে যদি ইনফেকশন বা সংক্রমণ দ্বিতীয় পর্যায়ে যায় তখন অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া যেতে পারে।

তিনি বলেন, অ্যান্টিবায়োটিকের মূল লক্ষ্য হলো রোগের জীবাণু একদম মেরে ফেলা। চিকিৎসক একজন রোগীর অবস্থা বুঝে ৫ থেকে ৭ দিনের কোর্স দিয়ে থাকেন। কিন্তু কেউ যদি সেই সময়ের আগে (দুই-দিন খেয়ে আর না খাওয়া) খাওয়া বাদ দিলে পরে ঐ অ্যান্টিবায়োটিক ঐ রোগীর শরীরে অকার্যকর হয়ে পড়ে। তখন ঐ রোগীর জন্য আগের চেয়ে বেশি মাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক দরকার হয়।

মানুষের শরীরের অ্যান্টিবায়োটিকের অতি ব্যবহার বা কোর্স শেষ না করার ফলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে দিতে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারিয়ে যায়।

ডা. জাকারিয়া বলেন, এমনিতেই বাতাসে নানা ধরনের জীবাণু, ভাইরাস থাকে। সেগুলো প্রতিরোধ করার ক্ষমতা হারিয়ে যায়। ফলে শরীর দুর্বল হয়ে পরে। যেকোনো রোগে সহজেই আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা বেড়ে যায়। সাধারণত খুব সিরিয়াস অবস্থা না হলে চিকিৎসকদের অ্যান্টিবায়োটিকের নির্দেশনা দেয়া ঠিক না। সূত্র : বিবিসি

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 Education News.
Design & Developed BY M/S PRINCE ENTERPRISE